প্রতিধ্বনি প্রতিনিধি,, আগরতলা,,৩০ মার্চ,,
মেঘের বুক চিরে সূর্যোদয়ের মনোরম দৃশ্য সহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য এমনিতেই দেশের মানচিত্রে বিশেষ জায়গা দখল করেছে ত্রিপুরার জম্পুই পাহাড়। এবার সেই পাহাড়ের পাদদেশের নাগরিকদের সাফল্যের কাহিনী উঠে আসলো দেশের প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানে। ৩০০০ ফুট উচ্চতায় জম্পুই পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত ভাংমুন গ্রামের অধিবাসীরা কিভাবে বৃষ্টির জল সঞ্চয়ের মধ্য দিয়ে নিজেদের জল সংকট মোচন করেছেন তা দেশবাসীর কাছে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত অনুষ্ঠানে ভিডিও চিত্র সহ ফুটে উঠেছে ত্রিপুরার অপরূপ সুন্দর এবং পরিছন্ন ভাংমুন গ্রামের ছবি। রবিবার ২৯ মার্চ ছিল প্রধানমন্ত্রীর মন কি বাত অনুষ্ঠানের ১৩২ তম পর্ব। এ দিনের পর্বে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের বর্তমান যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে রাজনীতির উর্ধ্বে সমস্ত দেশবাসীকে একসঙ্গে পরিস্থিতির মোকাবিলার আহ্বান জানান এবং বলেন “ভারত জিতবেই।” এই অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রী জল সঞ্চয়ের প্রসঙ্গ তুলে ত্রিপুরার জম্পুই পাহাড়ের পাদদেশে থাকা ভাংমুন গ্রামের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন পাহাড়ের পাদদেশে ৩ হাজার ফুট উচ্চতায় এই গ্রামের অধিবাসীরা গরমের দিনগুলিতে প্রচন্ড জলের অভাবে ভুগতেন এবং অনেক দূর থেকে তাদের জল সংগ্রহ করতে হতো। তাদের দীর্ঘদিনের চেষ্টায় জলের তীব্র সংকর থেকে মুক্তি পেয়েছেন। “রুফটপ রেইন হারভেস্টিং” তথা ছাদ থেকে বৃষ্টির জল সংরক্ষণের মাধ্যমে তারা গড়ে তুলেছেন টেকসই জীবনের এক উজ্জ্বল নজির।
প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডক্টর মানিক সাহা নিজের সামাজিক মাধ্যমে মোদীজিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখে ভাংমুন গ্রামের নাগরিকদের এই বিশেষ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়েছে, যা সমগ্র রাজ্যের জন্য গর্বের বিষয়।




Recent Comments